দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার জনগণকে কোনো স্বস্তি দিতে পারেনি। বর্তমানে দেশে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট থাকলেও গ্রাহকদের নিয়মিত ভৌতিক বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। তেল ও জ্বালানির জন্য চতুর্দিকে হাহাকার চলছে। এছাড়া দলীয় আনুকূল্যে সন্ত্রাস ও রাহাজানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী দিনে দেশে যে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে, তার সাথে ঈদের কোনো সম্পর্ক নেই। জনগণের যখনই প্রয়োজন হবে, আন্দোলনের ডাক তখনই আসবে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চের সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী ড. কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম।
লালদিঘির সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের ৭০ ভাগ মানুষের দেওয়া গণরায়কে অস্বীকার করে জনগণের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে এবং সেই গণআকাঙ্ক্ষা ও রায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কোনো বিরতি বা থামাথামি ছাড়াই লড়াই চালিয়ে যাওয়া হবে। একই সাথে আন্দোলনের গতিকে রুদ্ধ করতে আসা যেকোনো ধরনের লোভ বা প্রলোভন সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এই সরকার জনগণকে কোনো স্বস্তি দিতে পারেনি। বর্তমানে দেশে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট থাকলেও গ্রাহকদের নিয়মিত ভৌতিক বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। তেল ও জ্বালানির জন্য চতুর্দিকে হাহাকার চলছে। এছাড়া দলীয় আনুকূল্যে সন্ত্রাস ও রাহাজানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের ৭০ ভাগ জনগণের দেওয়ার রায় বাস্তবায়ন করতে হবে এবং আমরা আদায় করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। এর আগে আমরা বিরতি দিব না, আমরা থামবো না। এ লড়াই আমাদের চলবে এবং বাংলাদেশও ইনশাল্লাহ বদলাবে।
যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, সেই বড় গুপ্ত উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম ও দুর্নীতি করে, সেই সবচেয়ে বড় গুপ্ত।
ঢাকা বিমানবন্দরে এক প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাইয়ের প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কয়েক দিন আগে তিনজন ছিনতাইকারী একজন প্রবাসীর স্বর্ণ ছিনতাই করেছে। ছিনতাইয়ের সময় তারা নিজেদের আওয়ামী লীগের লোক পরিচয় দিয়ে ভয় দেখিয়েছিল। কিন্তু ধরা পড়ার পর দেখা গেল, তারা বিএনপির লোক।
তিনি বলেন, এরা গুপ্ত। যে নিজের পরিচয় গোপন করে অপকর্ম করে, দুর্নীতি করে, সেই হচ্ছে সবচেয়ে বড় গুপ্ত।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ জনগণ দুটি ভোট দিয়েছিল। একটি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচনের জন্য, আরেকটি বাংলাদেশের রাজনীতির পরিবর্তনের জন্য সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যে। একই ব্যক্তিকে দুটি ভোট দিতে হয়েছিল। নির্বাচনের আগে বর্তমান সরকারি দল এবং আমরা সবাই বলেছিলাম, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলুন। ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী হলে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে আমরা বদ্ধপরিকর। বিএনপিও এ কথা বলেছে, আমরাও বলেছি। ছয় মাস চলে গেল, বিএনপি কি তাদের কথা রেখেছে?
তিনি বলেন, ওই সময় বাংলাদেশের মানুষ বুকভরা আশা নিয়ে ভেবেছিল, এবার একটা পরিবর্তন আসবে। বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে না। মানুষ আদালতে গেলে আর শোষণ-বঞ্চনার শিকার হবে না, ন্যায়বিচার পাবে। সন্তানরা ভালো শিক্ষা পাবে, হাতে ভালো কাজ পাবে এবং তারা দেশ গড়বে। দেশ থেকে চাঁদাবাজি, ঘুষ ও দুর্নীতি নির্মূল হবে। কিন্তু তার একটাও হয়নি।
জামায়াত আমির বলেন, তারা তখন বলেছিল, অনির্বাচিত সরকার যত দ্রুত বিদায় নেবে, দেশের তত মঙ্গল হবে। আমি জিজ্ঞেস করতে চাই, অনির্বাচিত সরকার আমাদের জান্নাতে পাঠায়নি, এটা ঠিক। কিন্তু অনির্বাচিত সরকারের সময় আপনারা যেমন ছিলেন, এখন কি সেই সুবিধাগুলো পাচ্ছেন?
সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখন গ্যাস নেই, বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ না থাকলেও বিদ্যুতের বিল আসছে। গ্যাস দেবে না, কিন্তু গ্যাসের বিল জমা দিতে হচ্ছে। তেল পাই না, জ্বালানি পাই না। চারদিকে হাহাকার।
তিনি আরও বলেন, সমাজে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাস ও হানাহানি চলছে। দলীয় আনুকূল্য ও প্রশ্রয়ে সরকারি দলের লোকেরা সন্ত্রাস ও চুরি-ছিনতাইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চের শেষ কর্মসূচি হিসেবে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে এ সমাবেশ চলে।
জোটের পক্ষ থেকে ঘোষিত ছয় দফা দাবির মধ্যে আছে– অবিলম্বে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও অপরাধ দমন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সারের সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া সমস্যার সমাধান যদি আপনি করতে না পারেন, তবে সেটি প্রথমে সবার আগে জনগণের কাছে স্বীকার করুন। স্বীকার করুন যে, এই সমস্যার সমাধান আপনার একার পক্ষে সম্ভব নয়। স্বীকার করুন যে, আপনার কাছে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো কোনো সঠিক পরিকল্পনা নেই। অবিলম্বে বিরোধী দলের সাথে আলোচনায় বসুন; বিরোধী দল সমর্থন না দিলে এই দেশ আপনার পক্ষে একা চালানো সম্ভব নয়- এই বাস্তবতা মেনে নিন।
তিনি বলেন, আমরা পতিত স্বৈরাচারকে ফিরে আসার কোনো পথ করে দিচ্ছি না, বরং আপনারাই সেই পথ করে দিচ্ছেন। কারণ জনগণকে আপনারা সমস্যার সমাধান দিতে পারছেন না এবং তাদের হক আপনারা আদায় করতে পারছেন না। এর ফলে জনগণ বিকল্প খুঁজছে এবং সেই বিকল্প শক্তি কারা, তা আজকের এই লংমার্চে বাংলাদেশের জনগণ দেখেছে। আমরা যেমন পতিত স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আছি এবং পতিত স্বৈরাচার কোনোভাবেই দেশে ফেরত আসতে পারবে না, একইভাবে নতুন কোনো রাস্তা আমরা এই বাংলাদেশে হতে দেব না।
সভাপতির বক্তব্যে ড. কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম বলেন, আমরা নিজেদের স্বার্থে নয়, দেশের মানুষের স্বার্থে রাজপথে এসেছি। আমরা একটি সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসনের বাংলাদেশ গড়তে চাই, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে ১১ দলীয় জোট ছাড়া অন্য কারও পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। দেশ আজ অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে পড়েছে, ব্যাংকে কোনো টাকা নেই এবং প্রতিদিন নতুন নোট ছেপে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
বর্তমান প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ক্ষমতায় আসার আগে উনারা ছয় মাসের মধ্যে এক লক্ষ মানুষকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতায় আসার পর উল্টো এক লক্ষ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক বলেন, ক্ষমতার মসনদে বসার পর বিএনপি জুলাই সনদের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে গাদ্দারি ও বিশ্বাসভঙ্গ করেছে। তারা দেশের সাথে, ইতিহাসের সাথে, দেড় সহস্র শহীদের রক্তের সাথে গাদ্দারি করেছে। এখন মহান সংসদে দাঁড়িয়ে বিএনপির মুখপাত্রের মুখে শুনতে হয় যে তারা গণভোট মন থেকে বা আন্তরিকভাবে সংস্কার করার ঐক্যমত পোষণ করেনি। বরং শুধুমাত্র নির্বাচন আদায় করাই ছিল বিএনপির আসল উদ্দেশ্য।।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, চট্টগ্রামের এক নেতা বলেছিলেন নাকি লংমার্চের ব্যাপারে ছাড় দেয়া হবে না। পথে পথে যে জনসমুদ্র দেখেছি তাতে দেখেছি জনগণ আপনাদের ছাড় দেবে না। অবিলম্বে জুলাই সনদ মেনে জনদাবি পূরণ করতে হবে।
মাগরিবের পর থেকে শুরু হয় সমাবেশের মূলপর্ব। এ সময় বক্তব্য রাখেন এনসিপির মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ কে এম হামিদুর রহমান আজাদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালাল উদ্দীন আহমদ, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান, লেবার পার্টির মুখপাত্র মাওলানা নাজমুল ইসলাম তালুকদার, দীর্ঘদিন গুমের শিকার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসিনুর রহমান বীরপ্রতীক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আ ন ম শামসুল ইসলাম।
আসরের পর থেকে মাগরিবের আগে পর্যন্ত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি মাওলানা এমদাদুল্লাহ সোহাইল, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরী আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম অঞ্চল টিম সদস্য জাফর সাদেক, এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগরের আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইব, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরী আমির মাওলানা জিয়াউল হোসাইন, ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাইমুনুল ইসলাম মামুন, এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের যুগ্ম আহ্বায়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, জাগপার চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি আবু মোজাফফর মোহাম্মদ আনাস, লেবার পার্টির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আলী, এলডিপি চট্টগ্রাম মহানগরীর সভাপতি সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন আলম, এবি পার্টি চট্টগ্রাম মহানগরীর আহ্বায়ক এডভোকেট গোলাম ফারুক, এলডিপির চট্টগ্রাম মহানগরীর সহ সভাপতি এডভোকেট আবদুল মোতালেব ও খেলাফত মজলিসের নেতা আতিক বিন ওসমান।
সমাপনী সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু এমপি, সেগুফতা বুশরা মিশমা, জামায়াত নেতা ইয়াছিন আরাফাত, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন এর কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান, জামায়াত নেতা মোবারক হোসেন, অধ্যাপক আহছানুল্লাহ ভুঁইয়া, অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী প্রমুখ।
১১ দলীয় ঐক্যর দাবিগুলো হলো- গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতি রোধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা। এর আগে সকালে ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চ শুরু হয়। পথে বিভিন্ন স্থানে পথসভা, সংবর্ধনা ও অভিবাদন কর্মসূচির পর লংমার্চটি চট্টগ্রামের এসে পৌঁছায়।
এই কর্মসূচিতে বেশ কয়েকটি পথসভা হয়। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের কাচপুর ব্রিজসংলগ্ন ট্রাকস্ট্যান্ড, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল ও মীরসরাইয়ে। সর্বশেষ চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাপনী জনসভার মাধ্যমে লংমার্চ কর্মসূচি শেষ হয়।
গত ৬ আগস্ট ঢাকার মুক্তাঙ্গনে জোটের এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকা থেকে চারটি বিভাগীয় শহরে ‘লং মার্চ’ ও মহাসমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জোটের শীর্ষ নেতা, জামায়াতে ইসলামীর ডা. আমির শফিকুর রহমান।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর ঢাকা থেকে সিলেটে (রেলপথে) লং মার্চ শেষে ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ করার কথা রয়েছে।
কে